চাটাম ঘরের মাতব্বর

চাটাম ঘর

Chattam-Ghor

Chattam-Ghor


মিডিয়া পাড়া ২৪ : তিনি এখন একটি চাটাম ঘরের মাতব্বর। গ্রামের সহজ সরল মানুষের জীবনযাত্রার পথে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন তিনি। বিবাদমান সমস্যা সমাধানে বিচারকের ভূমিকাও পালন করতে হচ্ছে তাকে। ঢেঁড়া পিটিয়ে গ্রামজুড়ে তার মাতব্বরি ঘোষণা করা না হলেও যেমন স্বঘোষিত মাতব্বর তিনি, তেমনি তিনি চাটাম আর চাঁপাবাজিতেও বেশ পটু। কথার ফুলঝুড়িতে তাকে হার মানানো দায়। জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা ও নির্মাতা শামীম জামানের কথা বলা হলো এতক্ষণ। তবে এটা বাস্তবে নয়। মুহাম্মদ মামুন অর রশীদ রচিত ‘চাটাম ঘর’ নাটকে মুকিত নামের একটি চরিত্রে এমন অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। যেখানে তার এই চরিত্রগুলো ফুটে উঠবে। এটি পরিচালনা করছেন শামীম জামান নিজেই। তিনি ছাড়াও এতে অভিনয় করছেন মোশাররফ করিম, আ খ ম হাসান, জুঁই করিম, নাদিয়া, নাবিলা প্রমুখ।

জানা গেছে, বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশনে প্রচারের জন্য ‘চাটাম ঘর’ নাটকটি নির্মাণ করা হচ্ছে। রাজধানীর পূবাইলে একটি শুটিং হাউসে দৃশ্য ধারণের কাজ চলছে। চলমান মাসজুড়ে (অক্টোবর) শুটিং চলবে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা ও নির্মাতা শামীম জামান। আগামী ১৬ নভেম্বর এটি টিভির পর্দায় দেখা যাবে।

Chattam-Ghor-1

Chattam-Ghor-1

এ নাটক নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে ঘরে বসে মানুষ গাল-গল্প করে, অলস সময় পার করে সেটাই হচ্ছে চাটাম ঘর। এখানে বসে মানুষ দুর্লভ সব গল্প করে, চাঁপাবাজী আর চাটাম করে। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এরকম চাটাম ঘর আছে। তবে এই নাটকে আমরা যে চাটাম ঘরের ব্যবহার করেছি এরকম ঘর সচরাচর দেখা যায় না।’

গ্রামের চাটাম ঘর আর শহুরে ক্লাবের মধ্যে পার্থক্য আছে কী? এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম জানান বলেন, গ্রাম আর শহরের মানুষের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। গ্রামের মানুষের জীবনযাপন কৃষি নির্ভর। তারা অনেক পরিশ্রম করে। দিনশেষে ক্লান্ত শরীরে চাটাম ঘরে যায় অলস সময় কাটাতে। অনূরূপ ভাবে শহরের মানুষ সারাদিন অফিস-আদালতের ব্যস্ততা শেষে ক্লাবে যায় আড্ডা দিতে। জীবনযাত্রা যেমন ভিন্ন তেমনি চাটাম ঘরের আড্ডা আর ক্লাব ঘরের আড্ডা ভিন্ন। বাকিটা দর্শক দেখলেই বুঝতে পারবেন।’

Facebooktwittergoogle_pluslinkedinrssyoutubeinstagramflickr

অবশেষে বলিউড সুপারস্টার শ্রীদেবীর মৃত্যু রহস্যের অবসান


অবশেষে বলিউড সুপারস্টার শ্রীদেবীর মৃত্যু রহস্যের অবসান হয়েছে। এরই মধ্যে মামলা বন্ধ ঘোষণা করেছে দুবাই পুলিশ।

দুবাই সরকারের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, তার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শেষ হয়েছে। এর আগে মৃত্যুর কারণ ও সময় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলে দুবাইয়ের সরকারি কৌঁসুলিকে তদন্ত ভার দেয়া হয়। এতে তৈরি হয় ধুম্রজাল। তবে এই মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপরই শ্রীদেবীর মরদেহ ভারতে নিয়ে আসার ছাড়পত্র দেয় দুবাই পুলিশ। রাতেই তার মরদেহ মুম্বাইতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার বিকেলে মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লেতে শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে বলিউডে সাড়াজাগানো এই অভিনেত্রীর।

Facebooktwittergoogle_pluslinkedinrssyoutubeinstagramflickr

‘ইসস্’ মিলনকে আইরিনের চ্যালেঞ্জ!

মিডিয়া পড়া24 বিনোদন ডেস্ক :বসার ঘরটি ছিমছামভাবে গোছানো। টি টেবিলের উপর একটি ফুলের তোরা রাখা। তার পাশেই নতুন একটি এলইডি টিভির বাক্স। তার উপর হাত রেখে হাস্যজ্জ্বল ভঙ্গিতে কথা বলছেন আইরিন তানি ও আনিসুর রহমান মিলন। মিলনের মাথার উপরে বুম ঝুলছে। লাইট ক্যামেরাও রেডি। শুধু পরিচালকের অ্যাকশন বলার অপেক্ষা।

উত্তরার একটি শুটিং বাড়িতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘ইসস্’। শাহজাহান সৌরভের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন ফজলুল সেলিম। আর এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন মিলন-তানি।

নাটক প্রসঙ্গে রাইজিংবিডির সঙ্গে কথা বলেন অভিনেত্রী আইরিন তানি। এর গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি টেলিভিশনকে কেন্দ্র করে নাটকটির কাহিনি এগিয়েছে। এতে আমি আর মিলন ভাই স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছি। গল্পে মিলন ভাই ২০ হাজার টাকা বেতনের একটি চাকরি করেন। অনেকটা অলস টাইপের মানুষ। তার বিশেষ কোনো স্বপ্ন নেই। যে অল্প বেতনের চাকরি করে সেটা নিয়েই তার দিন কেটে যায়। আরো ভালো কিছু করতে হবে, আরো পরিশ্রম করতে হবে, সব কিছু ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিলে হয় না, এই উপলদ্ধি তার নেই।

‘ইস’

‘ইস’

বাসায় টেলিভিশন নেই, ফ্রিজ নেই। আমি একা বাসায় থাকি। সময় কাটে না তাই আমি এসব কিনে দিতে বলি। তা ছাড়া এই সমাজে কিছু মানুষ থাকে যারা এসব বিষয় নিয়ে খুব বাজেভাবে আঙুল তুলে কথা বলে। এক পর্যায়ে আমি মিলন ভাইকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিই। বলি, তোমার জীবনের যে গোল আছে সেটা তুমি পূরণ করে দেখাও। তারপর গল্পটি নানাভাবে মোড় নেয়।’

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে আইরিন তানি বলেন, ‘কাজটি করে ভীষণ ভালো লেগেছে। ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিলে সফলতা আসে না। সফলতার জন্য পরিশ্রম করতে হয়। এই মেসেজটা নাটকের গল্পে আছে। নির্মাতা সেলিম অল্প কাজ করে কিন্তু যা নির্মাণ করে তা ভালো কাজই করে। আর মিলন ভাই অসাধারণ একজন সহশিল্পী। সব মিলিয়ে অনেক ভালো একটি টিম পেয়েছিলাম। তাই কাজটিও ভালো হয়েছে। মনে হচ্ছে, দর্শকেরও কাজটি ভালো লাগবে।’

গতকাল নগরীর উত্তরায় নাটকটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। আইরিন তানি, মিলন ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন নূর এ আলম নয়ন। ঈদুল ফিতরে বেসরকারি একটি টেলিভিশনে নাটকটি প্রচারিত হবে।

Facebooktwittergoogle_pluslinkedinrssyoutubeinstagramflickr