চ্যানেল আই টেলিফিল্ম : ভালোবাসা এই পথে

চ্যানেল আই টেলিফিল্ম : ভালোবাসা এই পথে

মিডিয়া পাড়া ২৪ : সফল ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন রঞ্জু। অল্প বয়সেই এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসা দাঁড় করিয়েছে সে। অফিস থেকে আরম্ভ করে সবকিছুর মধ্যে আভিজাত্যের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। নিউ মডেলের একটি গাড়িও কিনেছে সম্প্রতি। মিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক রঞ্জুর। শুধু কি প্রেম, কিছুই বোঝে না তারা একে অপরকে ছাড়া।

হঠাৎই রঞ্জুর ব্যবসায় বিশাল লোকসান হয়। দিশেহারা হয়ে পড়ে রঞ্জু। কি করবে বুঝে উঠতে পারে না। এদিকে, ভালোবাসার মানুষ মিলার ব্যবহারেও কেমন যেন পরিবর্তন খুঁজে পায় রঞ্জু। আসলে রঞ্জুর প্রতি তার ভালবাসাটা ছিলো টাকা। রঞ্জুর টাকাও শেষ, মিলার ভালবাসাও শেষ। একপ্রকার তথাকথিত ভালাবাসা বলা চলে। দমে যাওয়ার পাত্র নয় রঞ্জু। কিন্তু ব্যবসা দাঁড় করাতে প্রয়োজন টাকা। রঞ্জু কোথায় পাবে টাকা? টাকার জন্য এক বন্ধু থেকে অন্য বন্ধুর দুয়ারে ঘুরতে থাকে রঞ্জু। এভাবেই চেষ্টা চলতে থাকে ঘুরে দাঁড়ানোর। মাঝেমাঝে স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে মিলার সাথে কাটানো রোমান্টিক মূহূর্তগুলো।

এরই মাঝে নিপা নামে এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় রঞ্জুর। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে ভালবাসায় গড়ায় তাদের সম্পর্ক। শত কাজের ফাঁকে নিপার সংগে কথা বলে মনের সব বিষন্নতা দূর করে রঞ্জু। রঞ্জুর মানসপটে একটি বিষয় ভেসে ওঠে সর্বদাই, যখন টাকা পয়সা ছিলো তখন মিলার মতো মেয়েরা ভালবাসার অভিনয় করে সুযোগ নিতো। কিন্তু নিপা সম্পূর্ণই আলাদা। অভাবের কথা জেনেও নিপা পিছপা হয়নি। সংগে থেকে সাহস জুগিয়েছে রঞ্জুকে। বুঝিয়েছে ভালবাসার মর্ম।

এরকমই ত্রিভূজ প্রেমের ঘরানায় নির্মিত টেলিফিল্ম ‘ভালোবাসা এই পথে’। রচনা ও চিত্রনাট্যে টেলিফিল্ম টি পরিচালনা করেছেন সবুজ খান। প্রধান সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন মীর সাখাওয়াত। অভিনয় করেছেন শ্যামল মওলা, শ্রেয়সী খান, ইকবাল হোসেন, সুচনা শিকদার, তাসফি, সায়কা আহমেদ, আফনান মিতুল, প্রিন্স মেহেদী, শাকিল, সবুজ আহমেদ, এবি রশিদ প্রমুখ।

টেলিফিল্ম সম্পর্কে শ্যামল মওলা বলেন, মিলার চরিত্র আজকাল আমাদের সমাজে অহরহ আছে, যারা সমসময় নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থেই ব্যস্ত। এসব ক্যারেক্টারের জন্য প্রকৃত ভালবাসার মূল্য বোঝাটা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

রাজীব মনি দাস বলেন, আমাদের এই সমাজে মিলার মত লোভী চরিত্রের অভাব নেই। যারা টাকা আর আভিজাত্যের লোভে কাউকে পুঁজি করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে কুন্ঠাবোধ করে না। তাই টেলিফিল্ম টি মিলার মতো লোভীদের জন্য চপেটাঘাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *